শিরোনাম
ঠাকুরগাঁওয়ে শালবাগান থেকে ঝুলন্ত অবস্থায় অজ্ঞাত এক বৃদ্ধার লাশ উদ্ধার কটলীপাড়া-বসন্তপুর রাস্তা পাকাকরণের দাবিতে মানববন্ধন জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে তালায় ওলের লক্ষ্যমাত্রা অতিক্রম প্লাবিত প্রতাপনগরে কবর না খুঁড়ে ইট বিছিয়ে দাফন! সাতক্ষীরায় লকডাউনে অনেক কষ্টে দিন পার করছেন ব্যবসায়ীসহ নানান পেশার মানুষ দিনাজপুরের চিরিরবন্দরে গৃহবধুর অস্বাভাবিক মৃত্যু রাঙামাটিতে অনুর্ধ্ব ১৭ বঙ্গমাতা গোল্ডকাপের সেমিফাইনালে বরকল উপজেলা বালিকা টিম মাগুরায় আজ ১০ জন নতুন করোনা রোগী শনাক্ত, জেলাতে মোট আক্রান্ত ১৩৭৬ নানিয়ারচরে রেডক্রিসেন্ট সোসাইটির প্রশিক্ষন কর্মশালা অনুষ্ঠিত রাঙামাটির বাংগালহালিয়ার শফিপুরে সড়ক দূর্ঘটনায় শিক্ষার্থী নিহত; আহত ২
শনিবার, ১৯ জুন ২০২১, ১২:২২ পূর্বাহ্ন

আম বাজারে দামে ধস, বিপাকে তালার ব্যাবসায়ীরা

এসএম বাচ্চু,তালা(সাতক্ষীরা)প্রতিনিধি / ৯৫ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ২০ মে, ২০২১

করোনা ভাইরাসের কারনে মৌসুমের শুরুতে ঢাকাসহ বাইরের পাইকাররা বাজারে না আসায় আম পেড়ে বিপাকে পড়েছেন চাষিরা। আম বাজারে দাম কম থাকায় নেমেছে ধস। উপজেলা কৃষি অফিস সুত্রে জানাযায়, তালা উপজেলায় এবার আম চাষ করা হয়েছে ৭১ হেক্টও জমিতে। লক্ষ্যমাত্র নির্ধারণ করা হয়েছে ১২৮৭০ মেট্রিক টন আম।

ইতোমধ্যে আম পাড়ার সরকারি নিষেধাজ্ঞা উঠে গেছে। অন্যদিকে গাছে থাকা প্রতিটি আমই ৫০ থেকে ৭৫ ভাগ পেকে গেছে। তবে প্রাকৃতিক দুর্যোগ ঝড়-বৃষ্টির হাত থেকে পরিপক্ক আম রক্ষা করতে উপজেলার আমচাষিরা ক্রেতা ও বাজারের অবস্থা না জেনেই যে যার মতো আম পাড়তে শুরু করেন। এ কারণে আকস্মিকভাবে একসঙ্গে বাজারে আমের আমদানি বেশি পেয়েছে। ক্রেতাশূন্য বাজারে চাহিদার তুলনায় জোগান বেশি হওয়ায় এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে বলে মনে করছেন স্থানীয় পাইকাররা।

আম ব্যাবসায়ী লিটন হুসাইন বলেন, ‘আম পেকে পড়ে যাচ্ছে, গাছে আম রাখা যাচ্ছে না। বাধ্য হয়েই আম পেড়ে বাজারে নিয়ে আসতে হচ্ছে। আম নিয়ে এখন বিপদে আছি। আম বিক্রি না হলে পচে যাবে।’

হাজরাকাটি গ্রামের আম ব্যাবসায়ী আবুল বলেন, ‘আম নিয়ে সকাল থেকে বসে আছি। বাইরের ক্রেতা নেই। কেউ দাম বলছে না। দুই হাজার টাকার আম ৯০০ টাকায় বিক্রি করছেন ক্ষুদ্রচাষিদের অনেকেই। গাছ থেকে আম পেড়ে বিপদে আছি।’ লকডাউনের কারণে আম ঢাকা বা অন্য কোনো জেলায় পাঠানো যাচ্ছে না ।

তিনি বলেন, ‘গত ২০ বছরের মধ্যে এবারই আমের দাম সর্বনিম্ন। আজ গোপালভোগ আম ৯শ টাকা ও হিমসাগর ১৪শ টাকা মণ দরে বিক্রি হয়েছে। অনেকে আম বিক্রি করতে না পেরে আড়তে রেখে চলে গেছেন।’

তালা উপজেলা আম ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি বলেন,‘সরকারি নির্দেশনা থাকায় মে মাসের ১৭ তারিখের পর হিমসাগর আম বাজারজাত করার কথা।ঈদের ছুটির পর হঠাৎ করেই প্রথম দিনের বাজারে শত শত টন আম নিয়ে আসেন বাগান মালিকরা। লকডাউনের কারণে যানবাহন চলাচল বন্ধ থাকায় দেশের অন্য অঞ্চল থেকে ক্রেতা আসছে না। বাজারে চাহিদার তুলনায় জোগান বেশি হওয়ায় চাষিরা কাঙিক্ষত দাম পাননি। ফলে চাষি ও স্থানীয় আম ব্যবসায়ীরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।’

তালা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা হাজিরা বেগম বলেন, ‘সরকারি নির্দেশনা থাকায় এবার ১৭ মে থেকে হিমসাগর আম পাড়া শুরু হয়েছে। তীব্র গরমে গাছের আম দ্রুত পেকে যাওয়ায় চাষিরা একযোগে গাছ থেকে আম পেড়ে বিক্রি শুরু করেছেন। ২০১৯ সালে তালা উপজেলা হতে ৮০০ কেজি দেশের বাহিরে গিয়েছিল।

এবারও আম দেশের বাহিরে যাবে কিনা বলতে পারছি না। চলমান লকডাউনে বাজারে এবার ক্রেতা কম থাকায় চাষিরা আমের সঠিক দাম পাচ্ছেন না। তবে বাজার পরিস্থিত ভালো হলে চাষিরা আমের ন্যায্যমূল্য পাবেন।’


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ

বাংলাদেশে কোরোনা

সর্বশেষ (গত ২৪ ঘন্টার রিপোর্ট)
আক্রান্ত
মৃত্যু
সুস্থ
পরীক্ষা
সর্বমোট