শিরোনাম
ঐতিহাসিক ৭ মার্চ আজ ঐতিহাসিক ৭ মার্চ উপলক্ষে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা রাঙ্গামাটি অগ্নিকান্ডে ফায়ার সার্ভিসকে সহযোগিতা করতে গিয়ে সাংবাদিক তাজুল ইসলাম আহত ইবিতে আইটি গ্রাজুয়েটদের জাপানে চাকরির সুযোগ বিষয়ক ওয়েবিনার চৌদ্দ বছর ধরে সহকর্মী জামাল হত্যার বিচার চাইছে রাঙামাটির সাংবাদিকরা! শখ থেকেই রঙিন মাছ চাষ করে এখন সফল উদ্যোগতা গাইবান্ধার নবীন! রাণীশংকৈল নবনির্বাচিত মেয়রকে সংবর্ধনা রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ কতৃক নানীয়ারচরে সেলাই মেশিন বিতরন কাপাসিয়ায় ভাই বন্ধু ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে অসহায় পরিবারের মাঝে টিউবওয়েল প্রদান ময়মনসিংহে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় ৪ জন নিহত
রবিবার, ০৭ মার্চ ২০২১, ০১:৫৯ অপরাহ্ন

এমপি-মন্ত্রীদের দুর্নীতির সাথে সমঝোতা না করায় ২৬ বছরে ৫৩ বার বদলি

রিপোটারের নাম / ৬৩১৯ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : শনিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী, ২০২০

সৎ সরকারি অফিসারদের সাথে এমন ঘটনা ঘটে অহরহ। যদিও তা মিডিয়ায় প্রকাশ হয় না বলে আমরা জানতেই পারি না। দশের মধ্যে একজন ভালো হলে তাকে কতটা চাপের মধ্যে থাকতে হয় তা একমাত্র ঐ ব্যক্তিই জানে। ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক দলের মন্ত্রী-এমপিদের দুর্নীতির সঙ্গে সমঝোতা না করায় ভারতের এক সরকারি কর্মকর্তাকে ২৬ বছরে ৫৩ বার বদলি হতে হয়েছে। অশোক খেমকা (৫৪) নামের এই আইএএস কর্মকর্তাই ২০১২ সালে কংগ্রেস সভানেত্রী সোনিয়া গান্ধীর জামাতা রবার্ট ভদ্রের জমি কেনা নিয়ে দুর্নীতির বিষয়টি ফাঁস করেছিলেন।

আগামী মাসে প্রকাশিতব্য সাংবাদিক ভাভদিপ কাং ও নমিতা কালার লেখা ‘দ্য আনটোল্ড স্টোরি অব অশোক খেমকা’ বইতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে। বইটিতে বলা হয়েছে, খেমকার বদলি কোনো রাজ্যে হওয়ার পর সেখানকার রাজনীতিবিদরা রীতিমতো আতঙ্কে থাকতেন। এই কর্মকর্তার দ্রুত বদলির জন্য তারা কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে ধর্না দেওয়া শুরু করতেন।

চাকরি জীবনে রাজনৈতিক নেতাদের সমঝোতার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করায় খেমকাকে চরম ভোগান্তির শিকার হতে হয়েছে। নতুন নতুন ঘষযন্ত্রের মধ্যে পরতে হয়েছে। ঘড়যন্ত্র শুধু বাহির থেকে নয়, সহকর্মীদের মধ্য থেকে আসতো প্রতিনিয়ত। তবে এতো ভোগান্তিও তার অদম্য স্পৃহায় চিড় ধরাতে পারেনি। খেমকা জানিয়েছেন, যেসব রাজনৈতিক নেতার হাতে তিনি হয়রানির শিকার হয়েছেন তাদের নাম তিনি দুই লেখকের কাছে উহ্য রেখেছেন।

কেন তাকে বারবার বদলি করেছে সেই প্রশ্নের উত্তর লেখকদেরই খুঁজে নিতে বলেছেন তিনি। বদলির পর খেমকার সবচেয়ে দীর্ঘ মেয়াদে একই কর্মস্থলে থাকার মেয়াদ ১৯ মাস। আর সবচেয়ে কম সময় হচ্ছে এক সপ্তাহ। তাকে গড়ে প্রতি ছয় মাসে একবার বদলি হতে হয়েছে। এর ফলে খেমকার স্ত্রী, বাবা আর দুই সন্তানকে বারবার ভোগান্তিতে পড়তে হয়েছে। এক জায়গায় এসে স্থির হওয়ার আগেই তাদের বাক্সপেটরা গোছাতে হয়েছে অন্যত্র যাওয়ার জন্য। এর সঙ্গে আছে বাসা খোঁজার যন্ত্রণা। দুই সন্তানের এতো স্কুল বদলাতে হয়েছে যে সেগুলোর নামও মনে নেই খেমকার। তবুও তিনি িথেমে যাননি। সীতির সাথে আপোষ করেননি। এমনকি আপোষ করবেনও না বলে পরিস্কার জানিয়ে দিয়েছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ

বাংলাদেশে কোরোনা

সর্বশেষ (গত ২৪ ঘন্টার রিপোর্ট)
আক্রান্ত
মৃত্যু
সুস্থ
পরীক্ষা
সর্বমোট