শিরোনাম
গৃহবধূর সাথে পুলিশ কর্মকর্তার অনৈতিক সম্পর্কে গনধোলাই সান্তনার জয় পেলো ভারত মার্কিন দূতাবাসের সামনে ব্যাগে চাকু আর চায়ের কাপ বহন কারীকে বোমা সন্দেহে তোলপাড় ডাচ বাংলা ব্যাংকে চাকরির নিয়োগ বাংলাদেশের জনসীমায় ভারতীয় অবৈধ ১৭ জেলে আটক তারেকের দেওয়া নামধারী ফতোয়াবাজ মোল্লাদের ষড়যন্ত্র প্রতিহত করতে হবে- ভালুকায় পিন্টু ডিআইইউসাস এর সাথে বঙ্গবন্ধু স্মৃতি সংসদ ও স্মৃতি পাঠাগার এর প্রতিষ্ঠাতা সভাপতির সৌজন্য সাক্ষাত পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় ট্রাক ও অটো মুখোমুখি সংঘর্ষে ৬ জন আহত হয়েছে পাইকগাছায় হরিণের মাংস বলে গরুর মাংস বিক্রয়; আটক- ১ চিলমারীর চরাঞ্চলের দরিদ্র জনগোষ্ঠির জীবনমান উন্নয়নে পশুপালন ও শাক-সবজি চাষ
বৃহস্পতিবার, ০৩ ডিসেম্বর ২০২০, ০৩:১৪ পূর্বাহ্ন

এমপি-মন্ত্রীদের দুর্নীতির সাথে সমঝোতা না করায় ২৬ বছরে ৫৩ বার বদলি

রিপোটারের নাম / ৬১৩৯ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : শনিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী, ২০২০

সৎ সরকারি অফিসারদের সাথে এমন ঘটনা ঘটে অহরহ। যদিও তা মিডিয়ায় প্রকাশ হয় না বলে আমরা জানতেই পারি না। দশের মধ্যে একজন ভালো হলে তাকে কতটা চাপের মধ্যে থাকতে হয় তা একমাত্র ঐ ব্যক্তিই জানে। ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক দলের মন্ত্রী-এমপিদের দুর্নীতির সঙ্গে সমঝোতা না করায় ভারতের এক সরকারি কর্মকর্তাকে ২৬ বছরে ৫৩ বার বদলি হতে হয়েছে। অশোক খেমকা (৫৪) নামের এই আইএএস কর্মকর্তাই ২০১২ সালে কংগ্রেস সভানেত্রী সোনিয়া গান্ধীর জামাতা রবার্ট ভদ্রের জমি কেনা নিয়ে দুর্নীতির বিষয়টি ফাঁস করেছিলেন।

আগামী মাসে প্রকাশিতব্য সাংবাদিক ভাভদিপ কাং ও নমিতা কালার লেখা ‘দ্য আনটোল্ড স্টোরি অব অশোক খেমকা’ বইতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে। বইটিতে বলা হয়েছে, খেমকার বদলি কোনো রাজ্যে হওয়ার পর সেখানকার রাজনীতিবিদরা রীতিমতো আতঙ্কে থাকতেন। এই কর্মকর্তার দ্রুত বদলির জন্য তারা কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে ধর্না দেওয়া শুরু করতেন।

চাকরি জীবনে রাজনৈতিক নেতাদের সমঝোতার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করায় খেমকাকে চরম ভোগান্তির শিকার হতে হয়েছে। নতুন নতুন ঘষযন্ত্রের মধ্যে পরতে হয়েছে। ঘড়যন্ত্র শুধু বাহির থেকে নয়, সহকর্মীদের মধ্য থেকে আসতো প্রতিনিয়ত। তবে এতো ভোগান্তিও তার অদম্য স্পৃহায় চিড় ধরাতে পারেনি। খেমকা জানিয়েছেন, যেসব রাজনৈতিক নেতার হাতে তিনি হয়রানির শিকার হয়েছেন তাদের নাম তিনি দুই লেখকের কাছে উহ্য রেখেছেন।

কেন তাকে বারবার বদলি করেছে সেই প্রশ্নের উত্তর লেখকদেরই খুঁজে নিতে বলেছেন তিনি। বদলির পর খেমকার সবচেয়ে দীর্ঘ মেয়াদে একই কর্মস্থলে থাকার মেয়াদ ১৯ মাস। আর সবচেয়ে কম সময় হচ্ছে এক সপ্তাহ। তাকে গড়ে প্রতি ছয় মাসে একবার বদলি হতে হয়েছে। এর ফলে খেমকার স্ত্রী, বাবা আর দুই সন্তানকে বারবার ভোগান্তিতে পড়তে হয়েছে। এক জায়গায় এসে স্থির হওয়ার আগেই তাদের বাক্সপেটরা গোছাতে হয়েছে অন্যত্র যাওয়ার জন্য। এর সঙ্গে আছে বাসা খোঁজার যন্ত্রণা। দুই সন্তানের এতো স্কুল বদলাতে হয়েছে যে সেগুলোর নামও মনে নেই খেমকার। তবুও তিনি িথেমে যাননি। সীতির সাথে আপোষ করেননি। এমনকি আপোষ করবেনও না বলে পরিস্কার জানিয়ে দিয়েছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ

বাংলাদেশে কোরোনা

সর্বশেষ (গত ২৪ ঘন্টার রিপোর্ট)
আক্রান্ত
মৃত্যু
সুস্থ
পরীক্ষা
২,৯৪৯
৩৭
২,৮৬২
১৩,৪৮৮
সর্বমোট
১৭৮,৪৪৩
২,২৭৫
৮৬,৪০৬
৯০৪,৫৮৪