শিরোনাম
চরভদ্রাসনে ইলিশ সম্পদ উন্নয়ন জনসচেতনতা সভা জনগন এর ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য লড়াই করছি : কাদের মির্জা টেকনাফে রিপোর্টার্স ইউনিটি’র কমিটি গঠিত ইতালিতে মৃত্যুবরণকারী দানা মিয়ার পরিবারবারকে আর্থিক সহযোগিতা করেছে ভৈরব সমিতি ভেনিস নেত্রকোণায় রোড সেফটির দাবীতে জেলা প্রশাসকের কাছে এআরএফবির স্মারকলিপি প্রধানমন্ত্রী সবসময় গরীবের সহায়তায় এগিয়ে আসেন-ময়মনসিংহে গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী শরীফ রোজা হবে ৩০টি: জানিয়েছে সৌদি আরব ত্রিশালের মঠবাড়ীতে চেয়ারম্যান কদ্দুসের দেওয়া ঈদের নতুন শাড়ী-লুঙ্গী পেয়ে খুশী গরীব-দুস্থরা অসহায় দরিদ্রদের ইফতার বিতরণ করলেন রফিকুল ইসলাম পিন্টু কলমাকান্দায় ঈদ উপহার বিতরণ করেছে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ইউটিসিএল
বুধবার, ১২ মে ২০২১, ০১:১৫ অপরাহ্ন

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সিজারের তুলনায় নরমাল ডেলিভারির সংখ্যা বেড়েছে প্রায় ৩গুন

ফয়সাল আহমেদ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি / ৩৮ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : সোমবার, ৩ মে, ২০২১

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বেড়েছে গর্ভবতী নারীদের নরমাল ডেলিভারি। ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ২০২০ সালে জানুয়ারি মাস থেকে এপ্রিল ২০২১ সাল পর্যন্ত এই হাসপাতালের গাইনি বিভাগে ৮৫১টি শিশু নরমাল ডেলিভারিতে জন্মগ্রহণ করেছে। বিপরীতদিকে একই সময়ে সিজারিয়ান অপারেশনের মাধ্যমে শিশু জন্ম নিয়েছে প্রায় ৩শতাধিক।হিসাব অনুযায়ী সিজারের তুলনায় নরমাল ডেলিভারির সংখ্যা প্রায় ৩গুন।

পরিসংখ্যান অনুযায়ী দেখা যায়, ২০২০ সালের জানুয়ারি মাসে ৮৫ জন, ফেব্রুয়ারিতে ৮৭ জন, মার্চে ৬৩ জন, এপ্রিলে ২৫ জন, মে মাসে ৪১ জন, জুনে ১৯ জন, জুলাইয়ে ২০ জন, আগস্ট মাসে ৫২ জন, সেপ্টেম্বরে ৪৭ জন, অক্টোবরে ৫৭ জন, নভেম্বরে ৭৭ জন, ডিসেম্বরে ৫৫ জন, ২০২১ সালের জানুয়ারিতে ৫৭ জন, ফেব্রুয়ারিতে ৫৭ জন ও মার্চে ৬১,এপ্রিলে ৪৮ জন শিশু নরমাল ডেলিভারিতে জন্মগ্রহণ করে। এদের মধ্যে ৫টি যমজ শিশু।

চিকিৎসকরা বলছেন, আধুনিক এই যুগে জীবনমান উন্নত হওয়ার সাথে সাথে চিকিৎসা ব্যবস্থাও ব্যাপক উন্নত হচ্ছে। আধুনিক জীবনযাত্রায় প্রসবকালে ব্যথার অনাকাঙ্ক্ষিত ভয়ে সিজারিয়ান অপারেশনের দিকে আগ্রহ বাড়ছে নারীদের। কমছে নরমাল ডেলিভারি। তবে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় এর ব্যাতিক্রম ঘটেছে। নরমাল বা স্বাভাবিক প্রসব মা ও সন্তান উভয়ের জন্যই অনেক ভালো। এখন ব্যথামুক্ত স্বাভাবিক প্রসব করা হচ্ছে। ডেলিভারির ১২ ঘণ্টার মধ্যেই মায়েদের হাসপাতাল থেকে রিলিজ দেয়া সম্ভব। যেহেতু নরমাল ডেলিভারিতে ঝামেলা কম তাই মায়েরা খুব দ্রুত শিশুদেরকে বুকের দুধ পান করাতে পারেন এবং খুব শিগগিরই স্বাভাবিক জীবনযাপন শুরু করতে পারেন। নরমাল ডেলিভারির পর কারো যদি কোনো ইনফেকশন হয় অথবা কেও যদি ভবিষ্যতে কনসিভ করতে চান তাহলে আর কোনো সমস্যা হয় না।বাচ্চা প্রসবের পর মায়ের পেটে কোনো অপারেটিভ স্কার থাকবে না। টাকা পয়সার বিষয়ে চিন্তা করতে হয় না, সেটিও কম। পরবর্তী সময়ে তার যেসব প্রসব হবে সেগুলো স্বাভাবিক হবে। হাসপাতালে থাকা কমে যাবে, সংক্রমণের আশঙ্কা কমে যাবে। এমনকি যেই শিশুটা হয় তার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বেশি থাকে, সুস্থ বেশি থাকে।

আর যাদের বিভিন্ন শারীরিক সমস্যা যেমন- ডায়াবেটিস, হাই ব্লাডপ্রেশার ইত্যাদি আছে বাচ্চা আকারে বড় হয়ে গেলে, বাচ্চার হার্ট রেট বেড়ে গেলে বা কমে গেলে এবং যদি নরমাল ডেলিভারি মা ও শিশুর জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে যায় তাহলে সেক্ষেত্রে চিকিৎসকরাই সিজারিয়ান ডেলিভারি করে থাকেন।

এই বিষয়ে ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক শওকত হোসেন বলেন, গত বছরের এপ্রিল মাস থেকে করোনাভাইরাসের মহামারিতে সরকার ঘোষিত লকডাউনের কারণে প্রায় তিন মাস হাসপাতালে প্রসূতি রোগী আসে তুলনামূলক অনেক কম। তবে রোগীর সংখ্যা কম হলেও বেড়েছে নরমাল ডেলিভারির সংখ্যা।

তাছাড়া সরকার প্রসূতিদের চিকিৎসা অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে দেখছে। এক্ষেত্রে চিকিৎসক ও নার্সদের বিশেষ প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়।নরমাল ডেলিভারির জন্য রোগীদের কাউন্সেলিং করার বিষয়টি বেশি কাজ করেছে। হাসপাতালের ১১৫ নম্বর কক্ষে প্রসূতিদের চিকিৎসা সেবা প্রদান করা হয়। ওই কক্ষের মোবাইল নম্বর রোগীদের দিয়ে রাখা আছে। তাছাড়া প্রসূতিদের নম্বরও আমরা রাখছি। তাদের সময়মতো ফোন করে নানা রকম সেবা ও হাসপাতালে আসার সময় জানিয়ে দেওয়া হচ্ছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ

বাংলাদেশে কোরোনা

সর্বশেষ (গত ২৪ ঘন্টার রিপোর্ট)
আক্রান্ত
মৃত্যু
সুস্থ
পরীক্ষা
সর্বমোট