শিরোনাম
করোনার দ্বিতীয় ঢেউ মোকাবেলায় জনগণকে সচেতন করতে সকলকে এগিয়ে আসতে হবে- বৈলরে শাহানশাহ কেড়াগাছি ইউপি চেয়ারম্যান প্রার্থী মারুফ হোসেনের আইচ পাড়ায় নির্বাচনী কর্মী সমাবেশ অনুষ্ঠিত পথ শিশু দের মাঝে খাবার বিতরন করেন ছুয়ানি মার্কেট ব্লাড ডোনার ক্লাব সৌদির সহযোগীতায় দেশের আট বিভাগে তৈরি হবে আধুনিক আইকনিক মসজিদ বাংলাদেশ করোনা ভাইরাস(কোভিড-১৯) এর সর্বশেষ আপডেট সাংবাদিক জসিম এর খালুর মৃত্যুতে “মানব কল্যাণ সেবা সংঘ”পরিবারের শোক প্রকাশ কিংবদন্তি ফুটবলার ম্যারাডোনাকে নিয়ে লেখা কবিতা সোকেল দে এর লিখা কবিতা “বিষর্ন্নতা মন” চলে গেলেন প্রখ্যাত অভিনেতা আলী যাকের বরেণ্য অভিনেতা আলী যাকেরের মৃত্যুতে বিরোধীদলীয় নেতার শোক
শনিবার, ২৮ নভেম্বর ২০২০, ০১:২২ পূর্বাহ্ন

মাষ্টারপ্লান করে গ্রামীন রাস্তা বানানোর নির্দেশঃ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

ডেস্ক রিপোর্ট / ২২ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ১৯ নভেম্বর, ২০২০

জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভা আজ ‘গুরুত্বপূর্ণ পল্লী অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প : বরিশাল, ঝালকাঠি ও পিরোজপুর’ প্রকল্পের প্রথম সংশোধন অনুমোদন দিয়েছে।

সংশোধনীতে প্রকল্পটির খরচ ৩০৫ কোটি বাড়িয়ে ৯৫০ কোটি থেকে ১ হাজার ২৫৫ কোটি টাকা করা হয়েছে। একনেক সভায় প্রকল্পটির বিষয়ে আলোচনার সময় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নির্দেশ দিয়েছেন, গ্রামীণ রাস্তা ও অবকাঠামো নিয়ে একটি মাস্টারপ্ল্যান তৈরির জন্য।

মঙ্গলবার (১৭ নভেম্বর) দুপুরে একনেক পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর অনুশাসন তুলে ধরার সময় এ তথ্য জানান পরিকল্পনা বিভাগের জ্যেষ্ঠ সচিব মো. আসাদুল ইসলাম।

তিনি বলেন, ‘তিনি (শেখ হাসিনা) খুবই গুরুত্ব দিয়ে বলেছেন যে, আমরা অনেক কাজ করছি গ্রামীণ রাস্তা, গ্রামীণ অবকাঠামোর। কাজগুলো সত্যিকার হচ্ছে কি না, কোয়ালিটিফুল (মানসম্মত) হচ্ছে কি না – সেগুলো ভালো করে পরখ করতে হবে। সেখানে স্থানীয় সরকার মন্ত্রী বলেছেন, মাল্টিপ্লেয়ার মনিটরিংয়ের ব্যবস্থা করেছেন। তারপরও প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, কাজের কোয়ালিটি যেন ঠিক থাকে, সেটা নিশ্চিত করতে হবে। রাস্তায় যেন পানি না জমে। কারণ রাস্তায় পানি জমলে সেটা নষ্ট হয়ে যায়। প্রধানমন্ত্রী আরেকটা মাস্টারপ্ল্যান করার কথা বলেছেন, কোন রাস্তা, কত রাস্তা, কোথায় করা হবে – সে বিষয়ে।

স্থানীয় সরকার বিভাগের নেতৃত্বে গ্রামীণ রাস্তা ও অবকাঠামো নিয়ে মাস্টার প্ল্যান তৈরির নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী বলেও জানান পরিকল্পনা বিভাগের সচিব। তিনি জানান, সড়ক, ত্রাণসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলো এ কাজে অংশ নেবে।

৫৯০৫ কোটি ৫৯ লাখ খরচে আজকের একনেকে ‘ঘূর্ণিঝড় আম্পান ও বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পল্লী সড়ক অবকাঠামো পুনর্বাসন’ প্রকল্পের অনুমোদন দেয়া হয়েছে।

এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা তুলে ধরে আসাদুল ইসলাম বলেন, ‘এই রাস্তাগুলো খুবই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। অতি দ্রুত এগুলো করতে হবে। তবে অন্যান্য মন্ত্রণালয় যারা রাস্তা করে বা এর সঙ্গে সম্পৃক্ত, তাদের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজটা করতে হবে। যাতে কোনো ওভারলেপিং না হয়। কোন কাজটুকু করতে হবে, কত কাজ বাকি থাকছে, কোন মন্ত্রণালয় করলে ভালো হয় –এগুলো সমন্বয় করে কাজ করতে হবে। আগামী বর্ষা আসার আগেই যেন মূল কাজগুলো হয়ে যায়। তাতে সাশ্রয়ী হবে।’

নদী ভাঙনের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা তুলে ধরে পরিকল্পনা বিভাগের সচিব বলেন, ‘নদী ভাঙন রক্ষায় মূল কৌশল হবে আমাদের একটা চ্যানেলে সবসময় প্রবাহ রাখা। প্রয়োজনে ক্যাপিটাল ড্রেজিং করে নিয়মিত আমাদের রক্ষণাবেক্ষণ ড্রেজিং রাখতে হবে। নদীর প্রবাহ ঠিক রাখলে ভাঙন থেকে আমরা অনেকাংশে রক্ষা পাবো। এজন্য কোনো ডুবোচর বা কোনো চর যদি থাকে, সেগুলো চিহ্নিত করে সরিয়ে ফেলতে হবে। একই সঙ্গে বর্ষায় যখন পানির খুব চাপ বেড়ে যায় তখন সেই চাপ যেন আমাদের ক্ষতিগ্রস্ত করতে না পারে, এজন্য একটা বাফার জোন থাকতে হবে বাঁধের পাশাপাশি। যাতে বাঁধ বা লোকালয়কে ক্ষতিগ্রস্ত না করে পানিগুলো সেখানে থাকতে পারে। আর বড় নদীর পাশে যেসব ছোট ছোট নদী থাকে, সেগুলো অনেক সময় ভরাট হয়ে যায়। সেগুলোর পানি ধারণ ক্ষমতা কমে যায়। যার কারণে বড় নদী অনেক প্রশস্ত হয়ে যায়, আমাদের প্লাবিত করে ফেলে বা বাঁধ ভেঙে ফেলে। এই কাজগুলো যে ড্রেজিং, ক্যাপিটাল ড্রেজিং, নিয়মিত ড্রেজিং, বাফার জোন তৈরি করা, ছোট ছোট নদীগুলো খনন করা, রক্ষণাবেক্ষণ করা–এগুলো আজকে প্রধানমন্ত্রীর অনুশাসন ছিল।’

‘একইসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, বন্যা বা নদীর প্লাবন পলি বয়ে নিয়ে আসে। এই পলি পড়া যেন আবার বন্ধ না হয়, সে বিষয়টা খেয়াল রাখতে হবে’-যোগ করেন আসাদুল ইসলাম।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ

বাংলাদেশে কোরোনা

সর্বশেষ (গত ২৪ ঘন্টার রিপোর্ট)
আক্রান্ত
মৃত্যু
সুস্থ
পরীক্ষা
২,৯৪৯
৩৭
২,৮৬২
১৩,৪৮৮
সর্বমোট
১৭৮,৪৪৩
২,২৭৫
৮৬,৪০৬
৯০৪,৫৮৪