শিরোনাম
ঠাকুরগাঁওয়ে শালবাগান থেকে ঝুলন্ত অবস্থায় অজ্ঞাত এক বৃদ্ধার লাশ উদ্ধার কটলীপাড়া-বসন্তপুর রাস্তা পাকাকরণের দাবিতে মানববন্ধন জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে তালায় ওলের লক্ষ্যমাত্রা অতিক্রম প্লাবিত প্রতাপনগরে কবর না খুঁড়ে ইট বিছিয়ে দাফন! সাতক্ষীরায় লকডাউনে অনেক কষ্টে দিন পার করছেন ব্যবসায়ীসহ নানান পেশার মানুষ দিনাজপুরের চিরিরবন্দরে গৃহবধুর অস্বাভাবিক মৃত্যু রাঙামাটিতে অনুর্ধ্ব ১৭ বঙ্গমাতা গোল্ডকাপের সেমিফাইনালে বরকল উপজেলা বালিকা টিম মাগুরায় আজ ১০ জন নতুন করোনা রোগী শনাক্ত, জেলাতে মোট আক্রান্ত ১৩৭৬ নানিয়ারচরে রেডক্রিসেন্ট সোসাইটির প্রশিক্ষন কর্মশালা অনুষ্ঠিত রাঙামাটির বাংগালহালিয়ার শফিপুরে সড়ক দূর্ঘটনায় শিক্ষার্থী নিহত; আহত ২
শুক্রবার, ১৮ জুন ২০২১, ১১:৫৭ অপরাহ্ন

হজের মাসের ফজিলত আমাদের করণীয়

রিপোটারের নাম / ২৪১ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ২৬ জুন, ২০২০

মুফতি ইবরাহীম আনোয়ারী
খতীব জামিয়া ইসলামিয়া বাইতুল করিম কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ হালিশহর চট্টগ্রাম।
হজ ও ওমরার সর্বোত্তম পাথেয় হলো তাকওয়া বা আল্লাহর ভয়। যে ব্যক্তি হজ ও ওমরা পালনে বেশি পরহেজগারী হবে সে তত লাভবান হবে। হজ ও ওমরায় করণীয় বিধানে আল্লাহ তাআলা সুস্পষ্ট বিধান নাজিল করেছেন। হজের সে মাসগুলোতে কুরআনে উল্লেখিত নিষিদ্ধ কাজগুলো করা যাবে না। এ সব বিষয়ে আল্লাহ তাআলা সুস্পষ্টভাবে বিধান জারি করেছেন। আল্লাহ তাআলা কুরআনে হজের মাসের সময় ও হজ-ওমরায় করণীয় সম্পর্কে বলেন-আয়াতের অনুবাদআয়াত পরিচিতি ও নাজিলের কারণসুরা বাকারার ১৯৭নং আয়াতে আল্লাহ তাআলা মুসলমানদেরকে হজের সময় সুনির্দিষ্ট বলে আখ্যায়িত করেছেন। এবং হজ ও ওমরার সময়গুলোতে কোন কোন কাজ করা যাবে আর কি কাজ করা যাবে না সর্বোপরি হজের সফরের উত্তম পাথেয় কি তাও বর্ণনা করেছেন।ওমরা বছরজুড়ে আদায় করা যায় এবং সবসময়ই ইহরাম বাঁধা যায়। কিন্তু হজের জন্য নির্ধারি কয়েকটি মাস থাকে। আর হজের ইহরামও বাঁধতে হয় নির্দিষ্ট মাসের নির্দিষ্ট তারিখের পূর্বেই।কুরআন নির্দেশিত এ সময়গুলোতে যারা ইহরাম বাধবে তারাই হজ করতে পারবে। হজের উদ্দেশ্যে গমনের সময়টিও হজর সফর হিসেবে পরিগণিত হবে।তবে হজের মাস নির্ধারিত আছে বলে উল্লেখ করা হলেও কুরআনে মাসের নাম উল্লেখ করা হয়নি। হজের মাস হলো শাওয়াল, জিলক্বদ এবং জিলহজ মাসের প্রথম দশদিন। যদিও হজের আরকান তথা মূল কার্যক্রম জিলকদ মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহ থেকেই শুরু হয় তথাপিও হজের ইহরাম শাওয়াল মাস থেকেই করা যায়।হজ ইসলামের পঞ্চম রুকন। যেভাবে দৈনিক পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করা মানুষের ওপর ফরজ। আবার বছরে একমাস (রমজান) রোজা পালন করা ফরজ। সম্পদের মালিক যারা তাদের শতকরা আড়াইভাগ হারে জাকাত দেয়া ফরজ। তেমিন শারীরিক এবং আর্থিক সামর্থ্যবানদের জীবনে একবার হজ সম্পাদন করা ফরজ।হজের সময় ইহরামের পর কোনোভাবেই যৌন সম্ভোগ, অন্যায় আচরণ, পাপাচার এবং বিবাদ-কলহ , হত্যা ইত্যাদি মানবতা বিবর্জিত কোনো কাজ করা যাবে না।হজ মানুষের জন্য অনেক বড় প্রাপ্তি ও রহমত। এ কারণেই আল্লাহ তাআলা পরহেজগারীকে হজের সর্বোত্তম পাথেয় হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন। আল্লাহ তাআলা হজের সময় কঠিন অপরাধীকেও ক্ষমা করে দেন।পড়ুন- সুরা বাকারার ১৯৬ নং আয়াতপরিষেশে…আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে নির্ধারিত মাসে ইহরাম বাঁধলে তাকে হজ আদায়ের নির্দেশ প্রদান করেছেন। অন্যায় ও পাপাচার থেকে বিরত থাকতে বলেছেন। সর্বোত্তম পাথেয় পরহেজগারী অর্জনের নির্দেশের পাশাপাশি ক্ষমা ও গোনাহমুক্ত জীবন লাভে তাঁকে ভয় করার জন্য বলেছেন।আল্লাহ তাআলা সবাইকে নির্ধারিত সময়ে হজ সম্পাদন করার তাওফিক দান করুন। অন্যায় ও পাপাচারমুক্ত থাকার পাশাপাশি আল্লাহ তাআলার ঘোষিত সর্বোত্তম পাথেয় তাকওয়া অর্জন করার তাওফিক দান করুন। দুনিয়া পরকালের কল্যাণ ও সফলতা লাভে আল্লাহ তাআলাকে ভয় করে তাঁর বিধিবিধান পালনের তাওফিক দান করুন। আমিন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ

বাংলাদেশে কোরোনা

সর্বশেষ (গত ২৪ ঘন্টার রিপোর্ট)
আক্রান্ত
মৃত্যু
সুস্থ
পরীক্ষা
সর্বমোট