শিরোনাম
গোলাপগঞ্জে মাছ শিকার দেখতে গিয়ে দুই শিশু নিখোঁজ জালিয়া পালং এর আওয়ামীলীগ নেতা আবুল কালাম এর মৃত্যুতে উখিয়া উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান এর শোক প্রকাশ খানসামায় নতুন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পঃ পঃ কর্মকর্তার যোগদানে মতবিনিময় ও ফুলের শুভেচ্ছা কমলাকান্দা কমিউনিটি পুলিশিং ডে অনুষ্ঠিত বারহাট্ট কমিউনিটি পুলিশিং ডে অনুষ্ঠিত পূর্বধলাতে কমিউনিটি পুলিশিং ডে অনুষ্ঠিত চৌদ্দগ্রামে আ’লীগ নেতা আবদুল মন্নানের আত্মার মাগফেরাত কামনায় দোয়া ও স্মরণসভা ময়মনসিংহে কমিউনিটি পুলিশিং সমাবেশ অনুষ্ঠিত রংপুরে কমিউনিটি পুলিশিং ডে ২০২০- আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত কাপাসিয়ায় “কমিউনিটি পুলিশিং ডে” উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত
রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২০, ০৪:৫৪ পূর্বাহ্ন

৫ কিলোমিটার পদ্মা সেতু দৃশ্যমান হলো প্রায়

অনলাইন ডেস্ক / ১২৯ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : রবিবার, ১১ অক্টোবর, ২০২০

মহামারি করোনার মধ্য যখন থমকে আছে সব কিছু তখনও থেমে নেই পদ্মা সেতু প্রকল্পের কাজ। রোববার (১১ অক্টোবর) বহুমুখী সেতুটির ৪ ও ৫ নম্বর খুঁটির ওপর স্থাপন করা হয়েছে ৩২তম স্প্যান। ৩১তম স্প্যান বসানোর ৪ মাস পর এই স্প্যানটি বসানো হলো। এটি বসানোর পর মূল সেতুর অবকাঠামোর দৈর্ঘ্য দাঁড়াল ৪ হাজার ৮০০ মিটার বা প্রায় ৫ কিলোমিটার।

গত আগস্ট-সেপ্টেম্বর মাসে ৫টি স্প্যান খুঁটির ওপর বসানোর লক্ষ্য ছিল। তবে মাওয়া প্রান্তের মূল পদ্মায় প্রচণ্ড স্রোত থাকায় একটি স্প্যানও বসানো সম্ভব হয়নি। এখন পদ্মায় বন্যার পানি কমে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে স্রোতের তীব্রতাও স্বাভাবিক গতিতে ফিরেছে। ফলে পদ্মা সেতুর নির্মাণ কাজেও গতি ফিরেছে।
তবে শনিবার মাওয়া প্রান্তের ৪ ও ৫ নম্বর খুঁটির ওপর পদ্মা সেতুর ৩২তম স্প্যান বসানোর দিনক্ষণ নির্ধারণ করা হলেও পরে তা সম্ভব হয়নি।

৬ দশমিক ১৫ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের দ্বিতল পদ্মা সেতুতে মোট ৪২টি খুঁটি নির্মাণ করা হচ্ছে। এর মধ্যে মাওয়া প্রান্তে ২১টি ও জাজিরা প্রান্তে ২১টি। আর ৪২টি খুঁটির ওপর বসবে ৪১টি স্প্যান।
উল্লেখ্য, ২০১৪ সালের ডিসেম্বরে পদ্মা সেতুর নির্মাণ কাজ শুরু করা হয়। ২০১৭ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর ৩৭ ও ৩৮ নম্বর খুঁটিতে প্রথম স্প্যানটি বসানোর মধ্য দিয়ে দৃশ্যমান হয় পদ্মা সেতু। এরপর একে একে বসানো হলো ৩২টি স্প্যান। প্রতিটি স্পেনের দৈর্ঘ্য ১৫০ মিটার। ৪২টি পিলারের ওপর ৪১টি স্প্যান বসিয়ে ৬ দশমিক ১৫ কিলোমিটার দীর্ঘ পদ্মা সেতু নির্মাণ করা হবে। এর মধ্যে সবকটি পিলার এরই মধ্যে দৃশ্যমান হয়েছে।
মূল সেতু নির্মাণের জন্য কাজ করছে চীনের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান চায়না মেজর ব্রিজ ইঞ্জিনিয়ারিং কোম্পানি (এমবিইসি) ও নদীশাসনের কাজ করছে দেশটির আরেকটি প্রতিষ্ঠান সিনো হাইড্রো করপোরেশন। দুটি সংযোগ সড়ক ও অবকাঠামো নির্মাণ করেছে বাংলাদেশের আবদুল মোমেন লিমিটেড।
বহুমুখী এ সেতুর মূল আকৃতি হবে দোতলা। কংক্রিট ও স্টিল দিয়ে নির্মিত হচ্ছে এ সেতুর কাঠামো। পদ্মা সেতুর নির্মাণ কাজ সম্পূর্ণ হওয়ার পর ২০২১ সালেই খুলে দেয়া হবে বলে আশা করা যাচ্ছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ

বাংলাদেশে কোরোনা

সর্বশেষ (গত ২৪ ঘন্টার রিপোর্ট)
আক্রান্ত
মৃত্যু
সুস্থ
পরীক্ষা
২,৯৪৯
৩৭
২,৮৬২
১৩,৪৮৮
সর্বমোট
১৭৮,৪৪৩
২,২৭৫
৮৬,৪০৬
৯০৪,৫৮৪