বৃহস্পতিবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০২:০৮ অপরাহ্ন

  • বাংলা বাংলা English English
পরীমনির জামিনের শুনানি ১৩ সেপ্টেম্বর
বিনোদন ডেস্ক / ১৩ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১

গত ৪ আগস্ট অভিযান চালিয়ে পরীমনিকে তার বনানীর বাসা থেকে আটক করে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)। অভিযানে নতুন মাদক এলএসডি, মদ ও আইস উদ্ধার করা হয়। তার ড্রয়িংরুমের কাভার্ড, শোকেস, ডাইনিংরুম, বেডরুমের সাইড টেবিল ও টয়লেট থেকে বিপুল পরিমাণ মদের বোতল উদ্ধার করা হয়।

তার পরদিন র‍্যাব বাদী হয়ে রাজধানীর বনানী থানায় পরীমনি ও তার সহযোগী বিপুর বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলায় দায়ের করে। ওই দিন পরীমনি ও তার সহযোগীর চার দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। 

বনানী থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের মামলায় ঢাকাই চলচ্চিত্রের আলোচিত এই অভিনেত্রীর জামিন চেয়ে আবেদন করা হয়েছে।

রোববার পরীমনির আইনজীবী মো. মজিবুর রহমান আদালতে এ জামিন আবেদন করেন। জামিনের বিষয়ে আগামী ১৩ সেপ্টেম্বর ঢাকা মহানগর দায়রা জজ কে এম ইমরুল কায়েশের আদালতে শুনানি অনুষ্ঠিত হবে।  পরীমনির আইনজীবী মো. মজিবুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে গতকাল শনিবার তৃতীয় দফার রিমান্ড শেষে সকাল ১১ টা ৪৯ মিনিটের দিকে পরীমনিকে কাশিমপুর কারাগার থেকে প্রিজন ভ্যানে আদালত আনা হয়। তখন তাকে আদালতের গারদে রাখা হয়। এ সময় তাকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সিআইডির পরিদর্শক কাজী মোস্তফা কামাল।

আবেদনে বলা হয়, আসামি পরীমনি মামলার বিষয়ে কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য প্রদান করেছে। তার দেওয়া প্রদত্ত তথ্য-উপাত্ত তদন্তের স্বার্থে যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। তার বিরুদ্ধে মামলার ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার বিষয়ে পর্যাপ্ত সাক্ষ্য প্রমাণ পাওয়া যাচ্ছে। মামলার তদন্ত সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত তাকে জেল হাজতে আটক রাখা একান্ত প্রয়োজন। তাকে জামিন দিলে মুক্তি পেলে সে বিঘ্ন সৃষ্টি করতে পারেন।

এ সময় টেকনিক্যাল কারণে জামিন না চেয়ে আইনজীবী মো. মজিবুর রহমান পরীমনির সঙ্গে কথা বলার অনুমতি চেয়ে আদালতে আবেদন করেন। অন্যদিকে পাবলিক প্রসিকিউট (পিপি) আব্দুল্লাহ আবু আসামি পরীমনির সঙ্গে তার আইনজীবীদের কথা বলার আবেদনের বিরোধিতা করেন।

উভয় পক্ষের শুনানি শেষে ঢাকা মহানগর হাকিম আশেক ইমামের আদালত দেখা করার আবেদন নাকচ করে পরীমনিকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

এরপর বিচারক এজলাস ত্যাগ করার পর পরীমনি আইনজীবীদের উদ্দেশ্যে বলেন, ‘আপনারা আমার জামিন চাচ্ছেন না কেন? আমি পাগল হয়ে যাব। আপনারা আমার জামিন চান, আপনারা আমার সঙ্গে কী কথা বলবেন? সিনিয়র আইনজীবী কই, তিনি আসলেন না কেন?’

এর আগে, গত ১৬ আগস্ট পরীমনিকে ফের পাঁচ দিনের রিমান্ডে নিতে আবেদন করে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। এরপর গত ১৯ আগস্ট আদালত তার জামিন আবেদন খারিজ করে এক দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

এরপর সিআইডির আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ মামলায় গত ১০ আগস্ট পরীমনি ও তার সহযোগী দিপুর দুইদিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। গত ১৩ আগস্ট দ্বিতীয় দফার রিমান্ড শেষে পরীমনি ও তার সহযোগী দিপুকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন আদালত।

মামলার সূত্রে জানা যায়, পরীমনি ২০১৬ সাল থেকে মাদক সেবন করতেন। এমনকি ভয়ংকর মাদক এলএসডি ও আইসও সেবন করতেন তিনি। এজন্য বাসায় একটি মিনি বার তৈরি করেন। তিনি বাসায় নিয়মিত মদের পার্টি করতেন। আর চলচ্চিত্র প্রযোজক নজরুল ইসলাম রাজসহ আরো অনেকে তার বাসায় অ্যালকোহলসহ বিভিন্ন প্রকার মাদকের সরবরাহ করত এবং পার্টিতে অংশ নিতো।

আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
জনপ্রিয় সংবাদ
সর্বশেষ সংবাদ