মঙ্গলবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০২:৩৭ অপরাহ্ন

  • বাংলা বাংলা English English
৭০ ভাগ বিবাহ বিচ্ছেদ ঘটাচ্ছেন নারীরা: কারণ খোঁজার তাগিদ আইনজীবীদের
এবি ডেস্ক রিপোর্ট / ৩৪ Time View
Update : মঙ্গলবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২১

করোনা মহামারিতে পারিবারিক সহিংসতার পাশাপাশি বিবাহ বিচ্ছেদের হারও বৃদ্ধি পেয়েছে উল্লেখ করে সুপ্রিম কোর্ট লিগ্যাল এইডের চেয়ারম্যান ও হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিম বলেছেন, ‘এ সময়ের বিবাহ বিচ্ছেদের ঘটনার মধ্যে ৭০ শতাংই ঘটেছে নারী কর্তৃক। আমি মনে করি, এর পেছনের কারণ খুঁজে বের করা প্রয়োজন। জাতীয় লিগ্যাল এইক্ষেত্রে ভূমিকা পালন করতে পারে।’

আজ শনিবার (১১ সেপ্টেম্বর) মানুষের জন্য ফাউন্ডেশন কর্তৃক আয়োজিত ওয়েবিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিম বলেন, বিচার বিভাগ ডিজিটালাইজড করার মধ্য দিয়ে বিগত দেড় বছর আমরা প্রযুক্তির ব্যবহার করে বিচার সেবা প্রদান করেছি। সেক্ষেত্রে লিগ্যাল এইড প্রযুক্তির ব্যবহার করে অনেককে আইনি সহায়তা প্রদান করা হয়েছে। তবে প্রযুক্তি ব্যবহার করে আইনি সহায়তা দেওয়ার বিষয়ে আমাদের আরও অনেক কাজ করার সুযোগ রয়েছে।

কিন্তু আমাদের অনেক সীমাবদ্ধতাও রয়েছে। তবুও সে সীমাবদ্ধতাকে কাটিয়ে উঠে আমাদের লিগ্যাল এইড প্রদানের জন্য প্রযুক্তির প্রসার বাড়াতে লক্ষ্য রাখতে হবে। করোনাকালে ব্যক্তি উদ্যোগে প্রযুক্তির ব্যবহার করে যে লিগ্যাল এইড সুবিধা প্রদান করা হয়েছে তাকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে হবে।

তিনি আরো বলেন, আপনাদের মাধ্যমে জানতে পেরে সমৃদ্ধ হলাম যে, করোনায় গত দেড় বছরে কী কী ধরনের পারিবারিক সহিংসতা ঘটেছে। সম্প্রতি ভয়াবহ ঘটনা ঘটছে, আমাদের দেশের সামাজিক ও অর্থনৈতিক অসামঞ্জস্যতার কারণে মানুষের দারিদ্রতা বেড়েছে। আয় কমেছে, এজন্য পারিবারিক সহিংসতাও বৃদ্ধি পেয়েছে।

জাতীয় লিগ্যাল এইডের কর্মক্ষেত্রের পরিধি বাড়ানোর প্রতি আহ্বান জানিয়ে বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিম বলেন, স্বামী পরিত্যাক্তা বা ধর্ষণের শিকার ভিকটিমদের সহযোগিতার ক্ষেত্রে আমাদের এখনও অনেক সীমাবদ্ধতা রয়েছে।

ধর্ষণের শিকার ভুক্তভোগীকে সঙ্গে সঙ্গে সহযোগিতা না করার ফলে অনেক সময় সাক্ষ্য নষ্ট হচ্ছে। এক্ষেত্রে তাদের দ্রুত মেডিক্যাল সুবিধা প্রদান ও পুনর্বাসনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা জরুরি। এভাবে লিগ্যাল এইডকে ভাবতে হবে। আইনি সহায়তা প্রদানের জন্য লিগ্যাল এইডকে দেশের উপজেলা ও থানা পর্যায়ের যোগাযোগ বাড়াতে হবে। এভাবে নিজেদের পরিষেবা বাড়ানোর মধ্য দিয়ে তাদের আইনি সেবা প্রদান করে যেতে হবে।

মানুষের জন্য ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক শাহীন আনামসহ জাতীয় লিগ্যাল এইডের পরিচালক ও মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তারা এ ওয়েবিনারে তাদের নিজ নিজ অভিজ্ঞতা ও প্রতিবেদন তুলে ধরেন।

আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
জনপ্রিয় সংবাদ
সর্বশেষ সংবাদ