বুধবার, ০৮ ডিসেম্বর ২০২১, ১২:০৬ অপরাহ্ন

  • বাংলা বাংলা English English
আকাশ ছোঁয়া প্রত্যাশা নিয়ে টি-২০ বিশ্বকাপে বাংলাদেশ
তাসফীর ইসলাম ইমরান / ৫৪ Time View
Update : বুধবার, ০৮ ডিসেম্বর ২০২১

কোভিড-১৯ ‘র সাথে যুদ্ধ করে শুরু হতে যাচ্ছে মনমাতানো ক্রিকেট টি-২০ বিশ্বকাপ এবারের আসর।

এবারের আসর ২০২০ সালে অস্ট্রেলিয়ার মাঠিতে অনুষ্ঠিত হবার কথা ছিলো। করোনা’র ছোবলে অস্ট্রেলিয়া থেকে উপছে ভারতের মাঠিতে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিলো।

কিন্তু করোনা কিছুতেই পিছু ছাড়লো না। সব মহামারী অমানিশা উপেক্ষা করে ২০২১ সালে ১৭ তারিখ থেকে সংযুক্ত আরব আমিরাতে বসতে যাচ্ছে টি-২০ এবারের আসর।

তবে এটা সত্যি, বিশ্বকাপের প্রথম পর্বে ‘বি’ গ্রুপে একমাত্র টেস্ট খেলুড়ে দেশ হিসেবে বাংলাদেশই পরিষ্কার ফেভারিট। নামে-ভারে-র‍্যাঙ্কিংয়েও সে প্রমাণ স্পষ্ট। তবে খাতায় কলমের হিসাব কতটা আসতে সেটা এখন দেখার পালা।

বাংলাদেশ মূল টপ ১০ টেনের ভিতরে না থাকলে বাছাই পর্বে থেকে ভালো কিছু করেই মূল পর্বে জায়গা করে নিবে।

শেষের সিরিজগুলো বাংলাদেশকে অনেকটা আত্মবিশ্বাস বাড়িয়ে দিবে। খেলাধুলায় আত্মবিশ্বাস সবথেকে বড়। বাংলাদেশ শেষের ৩ টি সিরিজই জয় লাভ করেছিলো। সেই সাফল্য নিয়ে বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখাটা বিপলে যাবে না হয়তো।

দলে নতুন কিছু মুখ ফিরিয়েছে দেখা যাক নতুনরা কতটুকু দিতে পারে দেশের জন্য।

নেই ওপেনার অভিজ্ঞ তামিম ইকবাল। ওপেনারের অভাবটা লিটন, সৌম্য, নাইমরা ভুলিয়ে দিতে পারলে অনেকটা এগিয়ে থাকবে টাইগাররা। মিডেল অর্ডারে আছে মুশফিক, রিয়াদ অভিজ্ঞরা, ফিনিশারে রাখছে তরুন তুর্কি আফিফ, সোহান, শামিম দেখা যাক ২২ গজের ভিতরে কে কতটুকু গর্জে উঠতে পারে।
নবীন, প্রবীন মিলিয়ে টাইগাররা ভালো কিছুর প্রত্যাশা করতেই পারে।

সাকিব-মোস্তাফিজরা হতে পারেন বৈশ্বিক এই আসরে ‘এক্স ফ্যাক্টর’। এছাড়া টাইগার স্পিনারদের বিশ্বমানের তকমা দিয়ে ‘চাপ জয় করতে পারলে এবারের আসরেই আসতে পারে ইতিবাচক ফল’।

১৯৯কে বর্তমান। ক্রিকেটের বৈশ্বিক আসরের সবগুলোতেই অংশ নিয়েছে টিম টাইগার্স। একটা সময় পর্যন্ত অংশগ্রহণই যেখানে ছিল মূখ্য। তবে সাকিব-তামিম-মুশফিক-রিয়াদের যুগে প্রত্যাশার পারদ বেড়েছে বহুগুনে। সমর্থকদের চাওয়া বেড়েছে বাস্তবতার সঙ্গে তাল মিলিয়ে।

বাংলাদেশকে যেখানে খেলতে হবে বাছাইপর্ব। উৎরাতে পারলেই মিলবে মূল পর্বের টিকেট। ক্রিকেটের এই সংস্করণের সঙ্গে এখনো ধাতস্থ হতে পারনি টিম টাইগার্স। তবে দলের সাম্প্রতিক ফর্ম করছে আশাবাদী। তার ওপর বাংলদেশ দলটাও বেশ অভিজ্ঞ।

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশ অন্যতম ফেভারিট। আপনি যদি বাংলাদেশ দলটার দিকে তাকান তবে দেখবেন দলটা বেশ ভারসাম্যপূর্ণ। বাংলাদেশের টপঅর্ডার তাদের স্বস্তির কারণ। সবশেষ কয়েকটা সিরিজে অভিজ্ঞদের পাশাপাশি তরুণরা দায়িত্ব নিয়ে খেলছে। তারা তামিম মুশফিককে ছাড়াই অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়েছে। বিশ্বকাপে তারা ফেরার পর দল আরও শক্তিশালী হবে। বাংলাদেশের স্পিন বোলাররাও বিশ্বমানের। ভয়ডরহীন ক্রিকেট বাংলাদেশকে এগিয়ে রাখবে।’

মাঝে কিছুটা ছন্দ হারালেও শেষ কয়েকটি সিরিজে আবারো চেনা ফর্মে টাইগার সেনশেসন মোস্তাফিজ। রান খরা কাটিয়ে ব্যাট হাসছে সাকিবেরও। সঙ্গে আছে মুশফিকের চোয়ালবদ্ধ প্রতিজ্ঞা।

‘সাকিব অসাধারণ। এই টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সে বিশেষ ভূমিকা পালন করবে। ও একাই ম্যাচের চিত্রনাট্য ঘুরিয়ে দিতে পারে। আর যদি আপনি মোস্তাফিজের কথা বলেন, প্রতিটি ম্যাচেই ও প্রমাণ করছে কেন সে অন্যদের চেয়ে আলাদা। সে দারুণ খেলছে।’

এদিকে, টাইগারদের অতীত পরিসংখ্যান বলছে দারুণ লড়েও চাপের মুহূর্তে তারা ভেঙে পড়েছে বারংবার। তাইতো বিশ্বমঞ্চে ভালো করতে চাপ জয় করার আশাবাদী।

দেখা যাক খেলার মাঠে কি হয়। বাংলাদেশের জন্য চিরন্তন শুভকামনা।

আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category