বুধবার, ০৮ ডিসেম্বর ২০২১, ১১:৪৯ পূর্বাহ্ন

  • বাংলা বাংলা English English
পছন্দের ছাতা প্রতীক না পাওয়ায় নির্বাচন করছেন না প্রার্থী
ঠাকুরগাঁও থেকে আনোয়ার হোসেন আকাশ / ৩৮ Time View
Update : বুধবার, ০৮ ডিসেম্বর ২০২১

আগামী ২৮ তারিখের ইউপি নির্বাচন ঘিরে ঠাকুরগাঁও জেলায় চলছে তুমুল উত্তেজনা। প্রতীক বরাদ্দের পর থেকেই প্রার্থীরা মাঠে নেমেছেন নির্বাচনী প্রচারণায়। আশ্বাস দিয়ে ভোটারদের মন জয় করার চেষ্টা চলছে সর্বত্র। নির্বাচনী এলাকাগুলো ছেয়ে গেছে বিভিন্ন পোস্টারে।

নির্বাচনের সময় যতই ঘনিয়ে আসছে ততই প্রার্থীরা খাওয়া-দাওয়া ছেড়ে কোমর বেঁধে নির্বাচনী মাঠে দিন-রাত সময় দিচ্ছেন। তারা ভোটারদের দ্বারেদ্বারে গিয়ে তাদের আদর্শের বয়ানসহ ইউনিয়নে উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করছেন।

সরজমিনে দেখা গেছে, চেয়ারম্যান, সাধারণ সদস্য ও সংরক্ষিত নারী সদস্য প্রার্থীরা দলবেঁধে প্রচার প্রচারণায় নির্বাচনী এলাকা সরগরম করে তুলছেন। তারা অটোরিকশা, ইজিবাইক, নসিমন, ভ্যান ও রিকশায় মাইক বেঁধে নির্বাচনী প্রচারণা চালাচ্ছেন।

তবে একজন চেয়ারম্যান প্রার্থীর ক্ষেত্রে দেখা গেছে ভিন্ন চিত্র। তার নির্বাচনী এলাকায় নেই কোনো পোস্টার। নেই কোনো প্রচার মাইকিং। ভোট চাইতে ভোটারের দ্বারে দ্বারেও যাচ্ছেন না সেই প্রার্থী। জানা গেছে প্রতীক পছন্দ না হওয়ায় নির্বাচনী প্রচারণায় নামেননি তিনি।

আসন্ন তৃতীয় ধাপের ইউপি নির্বাচনে ঠাকুরগাঁও জেলার ১৮টি ইউনিয়নে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। যার মধ্যে বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার চাড়োল ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে ৫ জান প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এই ইউনিয়নে স্বতন্ত্র প্রার্থী মঈন উদ্দিন পেয়েছেন ‘রজনিগন্ধা’ প্রতীক। তবে এই প্রতীকটি তার পছন্দ হয়নি।

স্বতন্ত্র প্রার্থী মঈন উদ্দিন বলেন, আমি নির্বাচন কমিশনের কাছে ছাতা মার্কা চেয়েছিলম। কিন্তু তারা সেই প্রতীক আমাকে দেয়নি, দিয়েছে রজনিগন্ধা প্রতীক। এই প্রতীকটি আমার একদম পছন্দ হয়নি। প্রতীকের কথা শুনেই মন ভেঙে গেছে। প্রতীক পছন্দ না হওয়ায় আমি নির্বাচন করছি না। ছাতা মার্কা দিলে আমি অবশ্যই নির্বাচন করে জয়যুক্ত হতাম।

চাড়োল ইউনিয়নের ভোটার রব্বানী শেখ বলেন, শুনেছি আমাদের ইউনিয়নে ৫ জন চেয়ারম্যান প্রার্থী। কিন্তু এলাকায় ৪ জন প্রার্থীর প্রচার ও পোস্টার দেখা যাচ্ছে। একজন প্রার্থীর কোনো খোঁজ খবরই পাচ্ছি না। সেটা কে তাও বুঝতে পারছি না।

এই বিষয়ে চাড়োল ইউনিয়নে দায়িত্বরত রিটার্নিং অফিসার শুব্রত চন্দ্র রায় জানান, চেয়ারম্যান প্রার্থী মঈন উদ্দিন আমাদের কাছে ছাতা মার্কার জন্য আবেদন করেছিলেন। তবে চেয়ারম্যান প্রার্থীদের জন্যে এই প্রতীক দেওয়ায় কোনো সুযোগ না থাকায় দিতে পারিনি। তাই তাকে রজনিগন্ধা দেওয়া হয়েছে। কিন্তু এর জন্যে তিনি মন খারাপ করে নির্বাচন করছেন না বিষয়টা অদ্ভুত।

উল্লেখ্য, এ উপজেলায় মোট ভোটার সংখ্যা ১ লাখ ৪৮ হাজার ১০২ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ৭৫ হাজার ৮৪৬ জন এবং নারী ভোটার ৭২ হাজার ২৫৬ জন। উপজেলার ৮টির সবকটি ইউনিয়নে আগামী ২৮ নভেম্বর ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।

আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category