বুধবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২২, ০২:০১ পূর্বাহ্ন

  • বাংলা বাংলা English English
চিলমারীতে পাবলিক লাইব্রেরি এখন ভূমি অফিসের দখলে
চিলমারী (কুড়িগ্রাম) থেকে এস এম রাফি / ৩৭ Time View
Update : বুধবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২২
কুড়িগ্রামের চিলমারীতে পাবলিক লাইব্রেরি ও ক্লাব দীর্ঘদিন থেকে ভূমি অফিসের দখলে রয়েছে। এখন সেটি অফিসের স্টোর রুম হিসেবে ব্যবহার হচ্ছে। তবে এটি উন্মুক্ত না করায় সচেতন মহলের মাঝে ক্ষোভ বিরাজ করছে।  এদিকে লাইব্রেরিটি পুনরায় চালু করে উন্মুক্ত করার দাবী জানিয়েছেন বই প্রেমিরা।
সংশ্লিষ্ট সুত্রে জানা গেছে, ১৯৭৮ সালের ৪ অক্টোবর ভূমি অফিস ও চিলমারী সরকারী  কলেজ সংলগ্ন স্থানে চিলমারী সাধারন পাঠাগার ও ক্লাবের  ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করেন তৎকালিন রংপুর জেলা প্রশাসক মোঃ মাহে আলম।
পরবর্তীতে ১৯৭৯ সালের ১৯ এপ্রিলে কুড়িগ্রাম মহকুমা প্রশাসক  মোঃ মনজুরুল ইসলামের উদ্যোগে চিলমারী পাবলিক ক্লাব ও লাইব্রেরীর ভবনের উদ্বোধন করেন তৎকালিন রংপুর জেলা প্রশাসক মোঃ মাহে আলম।
উদ্বোধন পরবর্তী সময়ে বেশ জাকজমক ভাবে চললেও অব্যবস্থাপনা আর অবহেলার কারনে অবকাঠামো ভেঙ্গে পড়ায় বন্ধ হয়ে যায় ক্লাব ও লাইব্রেরীটি। পরবর্তিতে তা সংস্কার করা হলেও উপজেলা ভূমি অফিসের সীমানা প্রাচীরে দখল হয়ে পড়ে এবং বর্তমানে অফিসের ষ্টোর রুম হিসাবে ব্যবহার করা হচ্ছে।
 জনসাধারনের জন্য নির্মিত পাবলিক ক্লাব ও লাইব্রেরীটি ভূমি অফিসের দখলে থাকায় বই প্রেমিকরা হতাশ হয়ে পড়েছে। ফলে শিক্ষার্থী ও বইপ্রেমিরা আজ বিভিন্ন অসামাজিক কাজে লিপ্ত হচ্ছে বলে মন্তব্য করেন বয়স্করা।
এলাকার বয়স্করা জানান, এক সময় উক্ত স্থানে আড্ডা হতো, এলাকার বিভিন্ন বিষয় এবং উন্নয়ন নিয়ে আলোচনা হতো আবার অনেকে বইয়ের মধ্যে ডুবে থাকতো। তারা আরো বলেন পাবলিক লাইব্রেরী ও কাব যেখানে উন্মুক্ত থাকার কথা কিন্তু সেটি কিভাবে একটি অফিস দখল করে রাখে।
বেশকিছু শিক্ষার্থীরা বলেন, চিলমারীতে পাবলিক লাইব্রেরী আছে তা জানতাম না, এখন শুনলাম, আমরা চাই তা উন্মুক্ত করা হোক তাহলে আমাদের জন্য উপকার হবে।
বিষয়টি দুঃখ জনক মন্তব্য করে কলামিস্ট ও সংগঠক নাহিদ নলেজ বলেন, পরিবেশ গড়ে তোলে পাবলিক ক্লাব ও লাইব্রেরীটি সবার জন্য উন্মুক্ত করা হোক।
এলাকাবাসী বলেন, র্দীঘদিন থেকে ভূমি অফিসের দখলে থাকা পাবলিক লাইব্রেরীটি দখল মুক্তকরাসহ প্রয়োজনীয় আসবাবপত্র ও বই সরবরাহের দাবি জানাচ্ছি। সেই সাথে ক্লাব ও লাইব্রেরীর পূর্বের সকল অবকাঠামো কে বা কার অধিনে আছে সেটিও বের করা হোক। ক্লাব ও লাইব্রেরীটি এখন অফিসের ষ্টোর রুম স্বীকার করে ভূমি অফিসের স্টাফরা বলেন, রুম গুলো পড়ে থাকায় তা আমরা ষ্টোর রুম হিসাবে ব্যবহার করছি।
এ প্রসঙ্গে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ মাহবুবুর রহমান বলেন, বিষয়টি আমার জানা নেই, খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।
আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category