সোমবার, ২০ মে ২০২৪, ০৬:১০ পূর্বাহ্ন

ঝালকাঠিতে প্রেমের টানে ভারতীয় যুবক,পালিয়েছেন প্রেমিকা
মোঃ রাশেদ খান ঝালকাঠি জেলা প্রতিনিধি / ১৪০ Time View
Update : সোমবার, ২০ মে ২০২৪
ঝালকাঠিতে প্রেমের টানে ভারতীয় যুবক,পালিয়েছেন প্রেমিকা
ঝালকাঠিতে প্রেমের টানে ভারতীয় যুবক,পালিয়েছেন প্রেমিকা

ফেসবুকে প্রেমের সম্পর্কের জেরে ইমরান (৩৪) নামে এক ভারতীয় যুবক ঝালকাঠিতে প্রেমিকার বাড়ি এসেছেন।শনিবার (৬ এপ্রিল) বিকেলে কাঁঠালিয়া উপজেলার চেঁচরীরামপুর ইউনিয়নের মহিষকান্দী এলাকার ইমাদুল হাওলাদারে বাড়িতে আসেন তিনি। ইমরান ভারতের উত্তর প্রদেশ কানপুর এলাকার ছেলে। তাকে একনজর দেখতে বিকেল থেকেই ওই বাড়িতে ভিড় জমান স্থানীয় লোকজন।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ইমরানের সঙ্গে সামাজিক যোগাযোগ-মাধ্যম ফেসবুকে পরিচয় হয় ইমাদুল হাওলাদারের মেয়ে ফারজানার। দুই বছর আগে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে। এরপর থেকে ইমরান বিভিন্ন সময় ফারজানার কাছে টাকা পাঠাতেন এবং কুরিয়ারের মাধ্যমে পোশাক পাঠাতেন। এবার প্রেমিকাকে দেখতে ভারত থেকে ছুটে আসেন ইমরান। ইমরানের আসার খবর শুনে ফারজানা বাড়ি থেকে পালিয়ে গেছেন। ফারজানার পরিবারও ইমরানের সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করে তাড়িয়ে দেয়। কোনো উপায় না পেয়ে ইমরান পরে ফিরে যান।ফারজানার বাবা ইমদাদুল অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, আমার শ্যালিকা সৌদি আরবে থাকেন। সেখান থেকে ইমরানের সঙ্গে আমাদের পরিচয় হয়। এরপর আমাদের একটা ভিসা দেওয়ার কথা বলেছিল। আমি তার হিন্দি ভাষা বুঝতে না পারার কারণে আমার মেয়ের সঙ্গে তার কথা হতো। আমার মেয়ের সঙ্গে কোনো প্রেমের সম্পর্ক ছিল না। এটা মিথ্যা কথা।

ফারাজানার খালা অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, যখন সৌদিতে থাকতাম তখন আমরা একই মালিকের অধীনে কাজ করতাম। একদিন আমার মোবাইল নষ্ট হয়ে গেলে আমি ইমরানের কাছে মোবাইল সারাতে দিয়েছিলাম। কারণ আমি মোবাইলের তেমন কিছু বুঝি না। এরপর সে কীভাবে আমার মোবাইল থেকে আমার ভাগ্নির ছবি নিয়ে যায়। আমি সৌদি থেকে বাংলাদেশ আসার সময় আমি একটা নম্বর দিয়ে এসেছিলাম। তারপর ইমরান ওই নম্বরে একমাস কল দিয়েছিলেন।

ভারতীয় যুবক ইমরান বলেন, ফারাজানার ছোট খালা এবং আমি সৌদিতে এক মালিকের অধীনে চাকরি করেছি। সেই সুবাদে ফারাজানার সঙ্গে ফেসবুকের মাধ্যমে সম্পর্ক শুরু হয়। আমাদের প্রেমের সম্পর্ক ফারাজানার পরিবারের সবাই জানত। তারা আমার কাছ থেকে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। তারপর পাসপোর্ট ও ভিসার মাধ্যমে বাংলাদেশে আসি। এখানে আসার পর এখন তারা সব কিছু অস্বীকার করছে। আমার সঙ্গে প্রতারণা করেছে। এখন বাধ্য হয়ে আবার দেশে ফিরে যাচ্ছি।

কাঁঠালিয়া উপজেলার চেঁচরীরামপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. হারুন অর রশীদ বলেন, আমি ঘটনাটি শুনেছি। আমার যদি কোনো সহযোগিতা প্রয়োজন হয় তাহলে তাদের সহযোগিতা করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
জনপ্রিয় সংবাদ
সর্বশেষ সংবাদ